প্রথম জোড়াটাই নিউজ হেডলাইন হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রফেশনাল ও ক্যাচি হবে।

প্রথম জোড়াটাই নিউজ হেডলাইন হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রফেশনাল ও ক্যাচি হবে।
প্রথম জোড়াটাই নিউজ হেডলাইন হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রফেশনাল ও ক্যাচি হবে।
মাসুদের সেঞ্চুরির পরও চাপে পাকিস্তান, ১৫৫ রানের লিড নিয়ে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শান মাসুদের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও প্রথম টেস্টে চাপে পড়েছে পাকিস্তান। জাস্টিন গ্রিভসের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও মোহাম্মদ আব্বাসের দারুণ স্পেলে ম্যাচে শক্তভাবে ফিরে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৫ রান, হাতে রয়েছে এখনও তিনটি উইকেট।
সোমবার তারৌবার ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৬ রান। কেমার রোচ ৫ ও শামার জোসেফ ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
এর আগে ১৯৯/৩ স্কোর নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান ছিল বেশ ভালো অবস্থানে। শান মাসুদ ১৬৩ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি করেন ১০৯ রান। তবে তার বিদায়ের পরই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।
২৪৪/৪ থেকে মাত্র ৩৮ রান যোগ করতেই শেষ ছয় উইকেট হারায় সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত ২৮২ রানে অলআউট হয়ে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিড দিয়ে বসে পাকিস্তান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জাস্টিন গ্রিভস ছিলেন বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল। ২৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব গড়েন। গুরুত্বপূর্ণ একটি উইকেট নেন অভিজ্ঞ কেমার রোচও।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নতুন বলে আগুন ঝরান মোহাম্মদ আব্বাস। ১৩ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ৩ উইকেট। তার শিকার হন ব্র্যান্ডন কিং (৫), কাভেম হজ (০) ও পরে জাস্টিন গ্রিভস (২০)।
খুররম শাহজাদ নেন দুটি উইকেট, আর আমির জামাল পান একটি। ব্র্যান্ডন কিং, কাভেম হজ, আমির জানগু, শাই হোপ ও অধিনায়ক রস্টন চেজ দ্রুত ফিরলেও ৩৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন ট্যাগেনারিন চন্দরপল।
দিনের শেষদিকে শামার জোসেফ মাত্র ১৩ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। কেমার রোচকে সঙ্গে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন থেকে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড ১৫৫ রানে পৌঁছে দেন।
চতুর্থ দিনে স্বাগতিকরা যদি লিড ২০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে, তবে শেষ ইনিংসে পাকিস্তানের সামনে অপেক্ষা করবে কঠিন এক রানতাড়ার চ্যালেঞ্জ।





