Image

বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্ক কামিন্স, ডারউইন টেস্ট কত দিনে শেষ হবে—‘কে জানে!’

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 5 ঘন্টা আগেআপডেট: 10 মিনিট আগে
বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্ক কামিন্স, ডারউইন টেস্ট কত দিনে শেষ হবে—‘কে জানে!’

বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্ক কামিন্স, ডারউইন টেস্ট কত দিনে শেষ হবে—‘কে জানে!’

বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্ক কামিন্স, ডারউইন টেস্ট কত দিনে শেষ হবে—‘কে জানে!’

ডারউইনে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট শুরুর আগের সংবাদ সম্মেলনে একটি প্রশ্নই ঘুরেফিরে এসেছে—ম্যাচটি কি তিন দিনেই শেষ হয়ে যাবে, নাকি গড়াবে পঞ্চম দিন পর্যন্ত? বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, একজন ক্রিকেটার হিসেবে তিনি অবশ্যই পাঁচ দিন মাঠে থাকতে চান। একই প্রশ্ন করা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও। তাঁর উত্তর ছিল সংক্ষিপ্ত, ‘কে জানে!’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ছয়টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে পাঁচটিতেই হার, যার তিনটি আবার ইনিংস ব্যবধানে। একমাত্র জয়টি এসেছিল ২০১৭ সালে মিরপুরের মাঠে।

তবে পরিসংখ্যান দিয়ে বাংলাদেশকে বিচার করতে রাজি নন কামিন্স। বরং প্রতিপক্ষকে নিয়ে সতর্কবার্তাই দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।

‘আমার মনে পড়ে না, কবে সহজ কোনো টেস্ট খেলেছি। আমি নিশ্চিত, তারা শক্তিশালী দল। তাদের দলে এমন কয়েকজন ক্রিকেটার আছে, যাদের বিপক্ষে আমরা আগে খেলিনি। টেস্টের আগে সব সময়ই কিছুটা অজানা শঙ্কা থাকে। গত কয়েক বছরে তারা বড় কিছু জয় পেয়েছে এবং দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে। তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে,’ বলেছেন কামিন্স।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে বাংলাদেশের অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৩ বছর। দীর্ঘ এই বিরতির পর আবারও দুই দলের টেস্ট সিরিজ। ভবিষ্যতে এমন দ্বৈরথ নিয়মিত দেখতে চান কামিন্সও।

অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের ভাষায়, ‘আইসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছি। তবে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের বিপক্ষে নিয়মিত খেলা হয় না। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের বিপক্ষে খেলতে পারাটা দারুণ ব্যাপার। আমি চাই, ভবিষ্যতে এমন সুযোগ আরও নিয়মিত আসুক।’

টেস্ট ক্রিকেটের বৈচিত্র্যের কথাও তুলে ধরেছেন কামিন্স। তাঁর মতে, ভিন্ন ভিন্ন দলের বিপক্ষে খেলার মধ্যেই এই সংস্করণের অন্যতম সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে।

তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সুন্দর দিক হলো, আপনাকে বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলতে হয়। প্রতিবারই নতুন একটি চ্যালেঞ্জ সামনে আসে। প্রতিটি দলই কিছুটা ভিন্ন স্টাইলে ক্রিকেট খেলে। তাই আমি অবশ্যই এমন ম্যাচ আরও খেলতে চাই।’

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের টেস্ট পারফরম্যান্সও বেশ ইতিবাচক। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরে ও বাইরে সিরিজ জয় এবং ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর মতো সাফল্য রয়েছে তাদের। তাই বর্তমান বাংলাদেশ দলকে অস্ট্রেলিয়া কীভাবে দেখছে, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

জবাবে কামিন্স কিছুটা সতর্কই থেকেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই। হয়তো কয়েক সপ্তাহ পর আমাকে জিজ্ঞেস করলে আরও ভালোভাবে বলতে পারব। তবে তারা এমন একটি দল, যাদের বিপক্ষে আইসিসির কোনো ইভেন্টে খেলতে নামলে কিছুটা নার্ভাস থাকতে হয়। কারণ, তাদের দলে কয়েকজন বড় মাপের ক্রিকেটার রয়েছে।’

সব মিলিয়ে ডারউইন টেস্টের আগে বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। মাঠে দুই দলের লড়াই কতদিন গড়ায়, সেই উত্তর অবশ্য মিলবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পরই।

 

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three