Image

শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে গুঞ্জন থামাতে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 2 মিনিট আগে
শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে গুঞ্জন থামাতে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে গুঞ্জন থামাতে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে গুঞ্জন থামাতে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের একমাত্র আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে ঘিরে সাম্প্রতিক গুঞ্জন ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড স্পষ্ট জানায়, শরফুদ্দৌলার চুক্তি বাতিল করা হয়নি; বরং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি আর নবায়ন করা হয়নি।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার চুক্তি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়। কোথাও বলা হয় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কোথাও বরখাস্তের কথা উল্লেখ করা হয়, আবার কোথাও বলা হয় নতুন চুক্তিতে রাখা হয়নি। এসব প্রতিবেদনের কারণে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়ায় বিসিবি বিষয়টি পরিষ্কার করার প্রয়োজন মনে করেছে।

শরফুদ্দৌলা ২০২৪ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রথম আম্পায়ার হিসেবে আইসিসির এলিট প্যানেলে জায়গা করে নেন। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব পালন করে তিনি সেই মর্যাদা ধরে রেখেছেন।

বিসিবি জানায়, তিনি বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত আম্পায়ার ছিলেন। তার মূল চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, পরে সেটি ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে বাড়তি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কারণ, আইসিসি এলিট প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর তার আন্তর্জাতিক দায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং একই সঙ্গে বিসিবির নিয়মিত ঘরোয়া দায়িত্ব পালন করার সুযোগ কমে এসেছে।

বোর্ড আরও ব্যাখ্যা করেছে, অধিকাংশ পূর্ণ সদস্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডই আইসিসি এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রাখে না। আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার ব্যস্ততার সঙ্গে নিজ নিজ বোর্ডের সূচি সমন্বয় করা কঠিন হওয়ায় এটি প্রচলিত নিয়মে পরিণত হয়েছে।

তবে বিসিবি জোর দিয়ে বলেছে, শরফুদ্দৌলার সঙ্গে তাদের পেশাদার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। সময় ও আন্তর্জাতিক দায়িত্বের প্রাপ্যতা অনুযায়ী তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজের পাশাপাশি ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় আম্পায়ারিং করতে পারবেন।

উদাহরণ হিসেবে বোর্ড উল্লেখ করেছে, কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ২০২৬ সালের জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজে একই ধরনের ব্যবস্থার আওতায় ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন শরফুদ্দৌলা।

এদিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে চুক্তিগত বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে একটি সংবাদমাধ্যমে তার বক্তব্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সব মিলিয়ে বিসিবির বার্তা স্পষ্ট—শরফুদ্দৌলাকে সরিয়ে দেওয়া হয়নি; বরং আইসিসিতে বাড়তি দায়িত্বের বাস্তবতা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় চুক্তি আর নবায়ন করা হয়নি, যদিও দেশের ক্রিকেটে তার সম্পৃক্ততার দরজা এখনও খোলা রয়েছে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three