Image

৭ মিনিটের ঝড়ে রোমাকে হারিয়ে রেয়াল মাদ্রিদের রোমাঞ্চকর জয়

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 2 ঘন্টা আগেআপডেট: 15 মিনিট আগে
৭ মিনিটের ঝড়ে রোমাকে হারিয়ে রেয়াল মাদ্রিদের রোমাঞ্চকর জয়

৭ মিনিটের ঝড়ে রোমাকে হারিয়ে রেয়াল মাদ্রিদের রোমাঞ্চকর জয়

৭ মিনিটের ঝড়ে রোমাকে হারিয়ে রেয়াল মাদ্রিদের রোমাঞ্চকর জয়

রোমা ৩-৪ রেয়াল মাদ্রিদ

নির্ধারিত সময়ের আর মাত্র সাত মিনিট বাকি। দুই গোলে পিছিয়ে রেয়াল মাদ্রিদ। চোখ রাঙাচ্ছিল হার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে রোমাকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে মাঠ ছাড়ল রেয়াল মাদ্রিদ।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিক রোমা। পঞ্চম মিনিটে পাওলো দিবালার ক্রস থেকে সুযোগ তৈরি হলেও তিবো কোর্তোয়া বিপদ সামাল দেন।

তবে ২০তম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শটে রোমাকে এগিয়ে দেন ডাচ মিডফিল্ডার মার্টেন ডি রুন। গোল হজমের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় রেয়াল। পরের মিনিটেই প্রতিপক্ষের পজেশন হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান কিলিয়ান এমবাপে। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করায় রোমার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়ায় সেটি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার নিজেদের হাতে নেয় রোমা। গোলরক্ষকের পাস থেকে ভিনিসিউস জুনিয়রের ব্যাকহিলের ভুলের সুযোগ নিয়ে আক্রমণ তৈরি করে তারা। সতীর্থের পাস পেয়ে ৫১তম মিনিটে ছয় গজ বক্সের কোণা থেকে শটে গোল করেন ডোনিয়েল মালেন।

এর মাত্র ছয় মিনিট পর আবারও গোল করেন মালেন। মাতিয়াস সুলের রক্ষণচেরা পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ওয়ান-অন-ওয়ানে নিখুঁত শটে রেয়ালের জালে বল পাঠান তিনি। ফলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রোমা।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুত জোড়া পরিবর্তন আনেন রেয়াল কোচ। ভিনিসিউস ও ডামফ্রিসকে তুলে মাঠে নামানো হয় এন্দ্রিক ও আর্দা গুল্যারকে। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা শুরু করে রেয়াল।

শেষ দিকে তাদের আক্রমণের তীব্রতা বাড়তে থাকে। আর সেই চাপ থেকেই আসে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন।

৮৩তম মিনিটে গুল্যারের ক্রস থেকে ফেদেরিকো ভালভের্দের জোরালো হেড ঠেকিয়ে দেন রোমার গোলরক্ষক। তবে আলগা বল পেয়ে জালে পাঠান পাঁচ মিনিট আগে বদলি হিসেবে নামা এস্পি। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিএআরের পর গোলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ব্যবধান কমে আসে ৩-২।

এরপরও থামেনি রেয়াল। গুল্যারের কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে সবার ওপরে উঠে হেড করে সমতা ফেরান তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ৩-১ থেকে ৩-৩ করে ফেলে রেয়াল।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আসে নাটকের শেষ অধ্যায়। এবারও নায়ক গুল্যার। ডান দিক থেকে তার নেওয়া কর্নার কিকে জটলার মধ্যে বল পেয়ে এক টোকায় সেটিকে জালে পাঠান আন্তোনিও রুডিগার। ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রেয়াল মাদ্রিদ।

শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি রোমা। অসাধারণ প্রত্যাবর্তনে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রেয়াল, আর হাতের মুঠোয় থাকা জয় শেষ মুহূর্তে ফসকে যাওয়ার হতাশায় নুইয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের পরিসংখ্যানেও ছিল দুই দলের লড়াইয়ের উত্তাপ। প্রায় ৫৫ শতাংশ বল দখলে রেখে রোমা ১৪টি শট নেয়, যার সাতটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে শেষ আধা ঘণ্টায় প্রবল আক্রমণে রেয়ালের ১৬ শটের আটটি ছিল অন টার্গেট।

এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই ম্যাচে দুই জয় পেল রেয়াল মাদ্রিদ। ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে তারা আছে অষ্টম স্থানে। সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পিএসজি। অন্যদিকে দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে রোমা।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three