প্রেমিককে চুমু, এরপর বাবা-মামার হাতে নির্যাতন, নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ
- 1
মরিনিওর শেষ এল ক্লাসিকোর সেই ১১ তারকা এখন কোথায়, কী করছেন তাঁরা?
- 2
আবারও বিতর্কে নেইমার, ভিএআরে লাল কার্ডের পর প্রতিপক্ষকে হুমকি
- 3
স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পাকিস্তানের জার্সি গোলাপি, গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও রঙের ছোঁয়া
- 4
‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি
- 5
চাপের মুখে তিলকের ঝলক, রান তাড়ায় শতভাগ জয়ের অনন্য রেকর্ড

প্রেমিককে চুমু, এরপর বাবা-মামার হাতে নির্যাতন, নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ
প্রেমিককে চুমু, এরপর বাবা-মামার হাতে নির্যাতন, নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার বেহালা এলাকায় এক তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে নগ্ন করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরীর পরিবারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ওই তরুণকে ধরে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে সেখানে ডেকে নেওয়া হয় তরুণের বাবাকেও। তিনজনকেই নগ্ন করে ব্যস্ত সড়কে হাঁটতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত রোববারের এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা গতকাল সোমবার জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কিশোরীর বাবা ও মামা রয়েছেন।
কী ঘটেছিল সেদিন?
কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটির সঙ্গে এক তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে দেখা করতে এসে ওই তরুণ তাঁকে চুমু দেন। ঘটনাটি মেয়েটির এক স্বজনের বন্ধু দেখে ফেলেন। পরে তাঁর মাধ্যমেই খবরটি পরিবারের কাছে পৌঁছায়।
এরপর মেয়েটির বাবা ও মামা দ্রুত সেখানে গিয়ে ওই তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে ধরে বেহালার সরশুনা থানা এলাকার বসুন্ধরা পার্কের ক্ষুদিরামপল্লির একটি বাড়িতে নিয়ে যান। খবর পাঠানো হয় তরুণের বাবাকেও।
অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে মারধর করা হয়। পরে সেখানে পৌঁছালে তরুণের বাবাকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনজনকে নগ্ন করে বাড়ির সামনের ব্যস্ত সড়কে হাঁটানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে তাঁরা ভয়ে নগ্ন অবস্থায় প্রায় ৫০ মিটার রাস্তা হাঁটতে বাধ্য হন।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজনা
ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কিশোরীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা তরুণকে হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন বলে দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, পরে বাড়িতে আটকে রেখে মেয়েটির বাবা ও মামা ওই তরুণ, তাঁর বন্ধু এবং তাঁর বাবার ওপর নির্যাতন চালান। তরুণের বাবাকেও সেখানে ডেকে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগের বিস্তারিত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে।














